সংস্করণ: ২.০১

স্বত্ত্ব ২০১৪ - ২০১৭ কালার টকিঙ লিমিটেড

BANvSA-3ODI.jpg

এরপর অষ্ট্রেলিয়া অপ্রতিরোধ্য বাংলাদেশ

এরপর আগামী অক্টোবর মাসে বাংলাদেশ সফরে আসছে অষ্ট্রেলিয়া। মাঝখানে সময়ের ব্যবধান খুব বেশী নয়। দঃ আফ্রিকার সাথে সিরিজ শেষ করার পর যে বিশ্রামটা দল পাবে বরং সেটা হবে দলের জন্য আশীর্ব্বাদ।

যদিও বাংলাদেশ গত ১২/০৭/১৫ তারিখে দঃ আফ্রিকার বিরুদ্ধে মিরপুরে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে জয় লাভের মধ্য দিয়েই আগামী ২০১৭ সালে ইংল্যান্ডের মাটিতে অনুষ্ঠিতব্য আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে অংশ গ্রহণের যোগ্যতা অর্জন নিশ্চিত করেছে, তবুও ১৫/০৭/১৫ তারিখে চট্রগ্রামের জহুর আহমেদ স্টেডিয়ামে তাদের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত তৃতীয় ও শেষ একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে বিজয়ের মাধ্যমে দেশের মাটিতে টানা চতুর্থ সিরিজ জয়ের গৌরব অর্জন করে বাংলাদেশ অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে গেল। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন। সাবাশ বাংলাদেশ!

আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ২০১৭ তে অংশ গ্রহণকারী আট দলের নাম আনুষ্ঠানিক ভাবে এ বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর ঘোষনা করা হবে। অবশ্য ইতোমধ্যেই বাংলাদেশসহ সাত দলের নাম নিশ্চিত হওয়া গেলেও আট নম্বর দল হিসেবে পাকিস্তান ও ওয়েষ্ট ইন্ডিজের মধ্যে যে কোন একটি দল সুযোগ পাবে সেপ্টেম্বর’২০১৫ সময়ের মধ্যে তাদের পারফর্ম্যান্সের উপর ভিত্তি করে যারা এগিয়ে যাবে। এটা অবশ্যই আমাদের জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি!

ভয় ছিল বৃষ্টির কারণে সিরিজটা পন্ড হওয়ার। বিশেষ করে এক দিনের সিরিজটা পন্ড হলে তা হ’তো আমাদের জন্য অনেক বড় ক্ষতি। যদিও বৃষ্টি আঘাত হেনেছিল কিন্তু সৌভাগ্য বশতঃ আমরা জিতে গেছি। আমাদের জিত হয়েছে খেলোয়ার বাছাইতেও। কারণ আমাদের খেলোয়ার বাছাইতে মুস্তাফিজুর রহমান এবং সৌম্য সরকারের আবিষ্কারের প্রভাবটা বাংলাদেশের জন্য দারুন ইতিবাচক হবে বলেই অনাগত ভবিষ্যৎ ইশারা  করছে। যদিও সৌম্য সরকার পরপর দুটি ম্যাচেই অল্পের জন্য শতরানের ইনিংস থেকে বঞ্চিত হয়েছে তবু তার খেলা সবাইকে আশাবাদী করে তুলেছে। সেই সাথে মুস্তাফিজের উইকেট শিকারের ধারাটা অব্যাহত থাকাও আমাদের প্রত্যশা পূরণে সহায়তা করেছে। আর বাড়তি পাওনা হচ্ছে নাসিরের অলরাউন্ডার হবার স্বপ্নটা সফল হবার পথে তার এগিয়ে যাওয়া।

খেলা শুরু হওয়ার পর বৃষ্টির কারণে খেলা সাময়িক ভাবে বন্ধ থাকায় ১০ ওভার কমিয়ে দিয়ে খেলা পূণঃনির্দ্ধরণ করা হয় ৪০ ওভারে । তার আগেই টসে জিতে দঃ আফ্রিকা ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাটিং শুরু করে । শেষ পর্যন্ত তারা ৪০ ওভার ব্যাট করে ৯ উইকেট হারিয়ে রান করে ১৬৮ । ডুমিনি ৭০ বলে ৫১, মিলার ৫১ বলে ৪৪। সাকিব ৮ ওভার বল করে ৩৩ রান দিয়ে ৩ উইকেট, মুস্তাফিজ ৮ ওভারে ২৪ রান দিয়ে ২ উইকেট, রুবেল ৬ ওভারে ২৯ রান দিয়ে ২ উইকেট একং মাসরাফি ও মাহমুদুল্লাহ পান ১টি করে উইকেট। জবাবে বাংলাদেশ মাত্র ২৬.১ ওভার ব্যাট করে একটি মাত্র উইকেট হারিয়ে ১৭০ রান করে ৯ উইকেটে বিজয় সুনিশ্চিত করে। সৌম্য সরকার ৭৫ বলে ৯০ রান করে আউট হলেও তামিম ইকবাল ৭৭ বল খেলে ৬১ রানে থাকেন অপরাজিত। ম্যান অব দি ম্যাচ এবং ম্যান অব দি সিরিজ হওয়ার গৌরব অর্জন করেন সৌম্য সরকার।

এরপর আগামী অক্টোবর মাসে বাংলাদেশ সফরে আসছে অষ্ট্রেলিয়া। মাঝখানে সময়ের ব্যবধান খুব বেশী নয়। দঃ আফ্রিকার সাথে সিরিজ শেষ করার পর যে বিশ্রামটা দল পাবে বরং সেটা হবে দলের জন্য আশীর্ব্বাদ। আমরা আশা করতেই পারি, আমাদের প্রতাশা পূরণ করতে দল সফল হবে। তবেই আমাদের মান নিয়ে যারা মাঝে মধ্যেই বিরূপ মন্তব্য করার সাহস দেখায় তাদের জন্য সেটা হবে উচিৎ জবাব।


এখানে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার স্বত্ত্ব ও দায় লেখক কর্তৃক সংরক্ষিত। আমাদের সম্পাদনা পরিষদ প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে এখানে যেন নির্ভুল, মৌলিক এবং গ্রহণযোগ্য বিষয়াদি প্রকাশিত হয়। তারপরও সার্বিক চর্চার উন্নয়নে আপনাদের সহযোগীতা একান্ত কাম্য। যদি কোনো নকল লেখা দেখে থাকেন অথবা কোনো বিষয় আপনার কাছে অগ্রহণযোগ্য মনে হয়ে থাকে, অনুগ্রহ করে আমাদের কাছে বিস্তারিত লিখুন।

BANvSA, 2015, Cricket, ODI, Dhaka, series, tiger, pride, Bangladesh