সংস্করণ: ২.০১

স্বত্ত্ব ২০১৪ - ২০১৭ কালার টকিঙ লিমিটেড

desi-barta.jpg

ভয়াল ২৯ এপ্রিল বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের জন্য এক দুঃসহ স্মৃতি ও শোকাবহ দিন

১৯৯১ সালের এই দিনে বাংলাদেশের উপকুলে আঘাত হানে স্মরণকালের ভয়াবহতম প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস। যার আঘাতে মারা যায় প্রায় ৫ লাখ মানুষ। যদিও সরকারি হিসাবে এ সংখ্যা দেড় লাখের মতো।

ঘূর্ণিঝড়ের পর এক মাসের মধ্যে এর প্রভাবে ডায়রিয়াসহ নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায় আরো লক্ষাধিক মানুষ। সেদিনের সেই ভয়ঙ্কর তান্ডবে শুধু মানুষই নয়, লাখ লাখ গবাদী পশু, ফসল, বিপুল পরিমাণ স্থাপনা ও  সম্পদ ধ্বংস হয়।

প্রলয়ঙ্করী ওই ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস তছনছ করে দিয়েছিল উপকূলীয় জনপদ। ঘণ্টায় ২০০ থেকে ২৩৫ কিলোমিটার বেগের প্রচন্ড ঘূর্ণিঝড় এবং ২৫ থেকে ৩০ ফুট উঁচু জলোচ্ছাসে দেশের উপকূলীয় এলাকা পরিণত হয়েছিল বিরান ভূমিতে।

স্মরণকালের শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসের তান্ডবের শিকার হয় দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব উপকূলের কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মহেশখালী, ভোলা, ফেনী, নোয়াখালী, পটুয়াখালী, বরিশালসহ ১৩টি জেলার ৭৪টি উপজেলার দেড় কোটি মানুষ।

পানিতে তলিয়ে যাওয়াসহ ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয় কক্সবাজার জেলার মহেশখালী, কুতুবদিয়া, চকরিয়া, কক্সবাজার সদরসহ উখিয়া - টেকনাফ উপকূলীয় এলাকা। লন্ডভন্ড হয়ে যায় চট্টগ্রামের আনোয়ারা, বাঁশখালীসহ দেশের ১৩টি উপকূলীয় জেলার শত শত ইউনিয়ন।

সে সময় শিল্পবাণিজ্যসহ বিভিন্ন খাতে ক্ষতির পরিমাণ ছাড়িয়ে যায় ১০ কোটি টাকা। দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি শোকাবহ দিন।


এখানে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার স্বত্ত্ব ও দায় লেখক কর্তৃক সংরক্ষিত। আমাদের সম্পাদনা পরিষদ প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে এখানে যেন নির্ভুল, মৌলিক এবং গ্রহণযোগ্য বিষয়াদি প্রকাশিত হয়। তারপরও সার্বিক চর্চার উন্নয়নে আপনাদের সহযোগীতা একান্ত কাম্য। যদি কোনো নকল লেখা দেখে থাকেন অথবা কোনো বিষয় আপনার কাছে অগ্রহণযোগ্য মনে হয়ে থাকে, অনুগ্রহ করে আমাদের কাছে বিস্তারিত লিখুন।

Bangladesh, disaster, 1991