সংস্করণ: ২.০১

স্বত্ত্ব ২০১৪ - ২০১৭ কালার টকিঙ লিমিটেড

pic.jpg

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কোনো শিয়া-সুন্নি সংঘাত নয়; নেপথ্য কারণ অত্যন্ত ভয়ঙ্কর

২৬শে মার্চ থেকে ইয়েমেনে এক টানা বিমান হামলা চালানোর পর সৌদি আরব শেষ পর্যন্ত হামলা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছ। তবে এ ঘোষণার পরও তারা হামলা চালানো অব্যাহত রেখেছে। ইয়েমেন যুদ্ধে সৌদি আরব একা নয়। তার সঙ্গে রয়েছে পারস্য উপসাগরীয় পরিষদভুক্ত আরব দেশগুলোর জোট পিজিসিসি। সঙ্গে আরো রয়েছে ইসরাইল, আমেরিকাসহ পাশ্চাত্যের দেশগুলোর সর্বাত্মক সাহায্য ও সমর্থন।

প্রশ্ন উঠেছে ইয়েমেনের মতো একটি দুর্বল ও তুলনামূলকভাবে অর্থসংকটে  জর্জরিত এ দেশটির ওপর হঠাৎ সৌদি আরব ও তার মিত্ররা কেন ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে? সাইবার জগতসহ বিশ্বের প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় এক চেটিয়াভাবে প্রচার চালানো হচ্ছে এটা শিয়া-সুন্নি দ্বন্দ্ব। প্রশ্ন হচ্ছে যদি শিয়া-সুন্নি দ্বন্দ্বই হবে তাহলে ইয়েমেন নিয়ে পাশ্চাত্য বিশ্ব ও ইসরাইলের এত মাথা ব্যথার কারণ কি? শিয়া-সুন্নিই কি ইয়েমেন ও সৌদি আরবের দ্বন্দ্বের মূল ইস্যু ছিল? সৌদি আরব কি আসলেই সুন্নি রাষ্ট্র? সৌদি আরব যদি সত্যিই সুন্নি মুসলমানদের রক্ষক হয়ে থাকে তাহলে কেন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মিশরের ইখওয়ানুল মুসলিমিন নেতা ও নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী মুরসিকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করলো এবং কেনইবা সেখানে পাশ্চাত্য ও ইসরাইলপন্থী সরকারকে ক্ষমতায় বসিয়েছে?

বিভ্রান্তিতে গণমাধ্যম ও সংবাদ কর্মীরা এবং অন্ধকারে পাঠক সমাজ:
ইয়েমেন ও মধ্যপ্রাচ্য সংকট নিয়ে বাংলাদেশের পত্রপত্রিকাগুলোতে প্রচুর লেখালেখি ও চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে। এসব লেখকের বেশিরভাগই বড় বড় নাম করা সব যাদরেল সাংবাদিক,  চিন্তাবিদ, গবেষক ও বুদ্ধিজীবী। আরো রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক ও তাদের ছাত্র ছাত্রীরা। এদের মধ্যে রয়েছে জার্নালিজম ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষকরাও যাদের অন্যতম কাজ আন্তর্জাতিক ঘটনা নিয়ে চিন্তা-গবেষণা করা। অনেক লেখকই সৌদি আরব ও ইয়েমেন যুদ্ধের পেছনে বিশ্ব সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোর স্বার্থের বিষয়টি কিছুটা উপলব্ধি করলেও তাদের লেখার বেশিরভাগ অংশ জুড়ে থাকে শিয়া-সুন্নি দ্বন্দ্ব প্রসঙ্গ। তারা এমনভাবে বিশ্লেষণ করেন মনে হয় শিয়া-সুন্নি দ্বন্দ্বই সেখানে মুখ্য বিষয় আর অন্যসব গৌণ। তারা জঙ্গিবাদী তৎপরতার কথা বললেও এর উৎপত্তি কোথা থেকে? তাদের আদর্শিক চিন্তাভাবনা কি? কি তাদের উদ্দেশ্য? কেন তাদের মাঠে নামানো হলো? কারা এদের মদদদাতা? এসব সম্পর্কে কোনো বক্তব্য নেই।

এইসব জঙ্গিদের প্রকৃত পরিচয় না জানার কারণে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্লেষণ করতে গিয়ে একবার বলছে এরা জঙ্গিবাদী আবার কখনো বলছে এরা কট্টর সুন্নি গ্রুপ। অর্থাৎ এদের সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা না থাকার কারণে লেখকরা নিজেরাই চরম বিভ্রান্তির মধ্যে রয়েছেন এবং ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করতে গিয়ে তালগোল পাকিয়ে ফেলছেন। ফলে পাঠকরা অন্ধকারেই রয়েছে গেছে।

শুধু বাংলাদেশ নয় সারা বিশ্বের মিডিয়াগুলোর বিশ্লেষণ, চিন্তাভাবনা এক ও অভিন্ন এবং সবাই এটা প্রমাণ করার চেষ্টা চালাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে যা কিছু ঘটছে তার মূলে রয়েছে শিয়া-সুন্নি দ্বন্দ্ব। সারা বিশ্বের প্রচারণার এই ঢেউ বাংলাদেশের মিডিয়াগুলোতে আছড়ে পড়েছে। কোনো রকম চিন্তা-বিশ্লেষণ ও বাচবিচার না করেই আন্তর্জাতিক প্রচার প্রোপাগান্ডার সঙ্গে গা ভাসিয়ে দিয়ে চলেছে বাংলাদেশের প্রচার মাধ্যমগুলোও।       

মধ্যপ্রাচ্য সংকটে শিয়া-সুন্নিদের ঐক্যবদ্ধ অবস্থান:
বাস্তবতা হচ্ছে, সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে যে দ্বন্দ্ব-সংঘাত ও উত্তেজনা চলছে তা কোনো শিয়া-সুন্নি যুদ্ধ নয়। ইরাক, সিরিয়ার পর যুক্ত হয় সৌদি-ইয়েমেন সংঘাত এবং এসব ঘটনা একই সূতায় গাঁথা। এরও আগে ৮০’র দশকে ইরাক-ইরান যুদ্ধ কোনো শিয়া-সুন্নি ছিল না, এরপর হালআমলে সিরিয়ার বিদ্রোহীদের সঙ্গে দেশটির সেনা বাহিনীর সংঘাত কোনো শিয়া-সুন্নি বিরোধ নয়, ইরাকে যে যুদ্ধ চলছে তা কোনো শিয়া-সুন্নি দ্বন্দ্ব নয়, সৌদি আরবের অভ্যন্তরেও শিয়াদের যে আন্দোলন দানা বেধে উঠছে তাও শিয়া-সুন্নি বিরোধ নয়। আর সর্বশেষ ইয়েমেনের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সৌদি আরবের আগ্রাসন এটাও কোনো শিয়া-সুন্নি সংঘাত নয়। তাহলে এসব দ্বন্দ্ব-সংঘাতের কারণ কি? মূল প্রতিদ্বন্দ্বী কারা?

এ বিষয়টি আরো স্পষ্ট করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ। গত ২১শে  এপ্রিল তিনি বলেছেন, ইয়েমেনের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের যুদ্ধের সঙ্গে ধর্মের  কোনো সম্পর্ক নেই। ইয়েমেন সংকটকে কোনো কোনো দেশ ধর্মীয় সংঘাত হিসেবে তুলে ধরার যে চেষ্টা করছে তারও তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তিনি। ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইয়েমেনের জনপ্রিয় সংগঠনগুলোর ওপর হামলা হচ্ছে এবং এ সব হামলার সঙ্গে তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসের বিন্দুমাত্র কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কথা বলেছেন আর তা হচ্ছে, উগ্রবাদ সন্ত্রাসবাদ মধ্যপ্রাচ্যের জন্য প্রধান হুমকি। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই উগ্রবাদী কি? কারা? এদের বৈশিষ্ট্য কি? কোথা থেকে এর উৎপত্তি? এবং এদেরকে কারা পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে?

জঙ্গিবাদের নেপথ্যে:
আমরা সবাই জানি একটি গোষ্ঠী ইরাক, সিরিয়াসহ গোটা মধ্যপ্রাচ্যে ভয়াবহ নৃশংস গণহত্যা চালাচ্ছে। তারা বিনা বিচারে মানুষ পুড়িয়ে, ফাঁসি দিয়ে, গুলি করে কিংবা গলা কেটে এ পর্যন্ত হাজার হাজার মানুষ হত্যা করেছে। ইরাকের আল আনবারের প্রাদেশিক পরিষদের প্রধান সাবা কারহুত বলেছেন, উগ্র তাকফিরি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আইএসআইএল (ভিন্ন নাম আইএস) ২০১৩ সালের শেষের দিকে ওই প্রদেশে হামলা শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ছয় হাজার নিরীহ লোককে হত্যা করেছে। উগ্র এই গোষ্ঠীটি সিরিয়ায়ও আসাদ সরকারকে উৎখাতের নামে এ পর্যন্ত হাজার হাজার নিরপরাধ মানুষকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। লেবাননেও তারা অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে। আফগানিস্তান ও পাকিস্তানে যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চলছে তার পেছনেও রয়েছে এই উগ্রবাদীদের হাত। তালেবান, আল কায়দা, লস্করে জাংভি, আন্‌ নুসরা, আইএস, আশ শাবাব ইত্যাদি বিভিন্ন নামে এ গোষ্ঠীগুলো বিভিন্ন দেশে তৎপর রয়েছে। এদের সবারই নীত-আদর্শ, চিন্তা-চেতনা একই। এরা এতটাই উগ্র যে বিরোধী কোনো মতকেই সহ্য করতে রাজি নয় সে শিয়া হোক সুন্নি হোক। এই গোষ্ঠীকে বলা হয় সৌদিপন্থী ওহাবি -সালাফি ফের্কার অনুসারী। এরা কোনো মাজহাবে বিশ্বাস করে না বলেই শিয়া ও সুন্নি উভয় মুসলিম সম্প্রদায়কে শত্রু বলে মনে করে। এদের পেছনে রয়েছে সৌদি আরবের আর্থিক ও রাজনৈতিক সমর্থন। আর পর্দার আড়ালে থেকে কলকাঠি নাড়ছে ইসরাইল ও আমেরিকা। ওহাবিদের অন্যতম বিপদজনক বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এরা নিজেদেরকে সুন্নি পরিচয় দিয়ে ধর্ম প্রচারের নামে আফ্রিকা, এশিয়া, মধ্যএশিয়া, ইউরোপ, আমেরিকায় ওহাবি মতবাদ ছড়াচ্ছে এবং পরিস্থিতি ও সুযোগ বুঝে তারা হঠাৎ সহিংস ও জঙ্গিবাদী হয়ে ওঠে। 

মুসলিম বনাম ওহাবিদের দ্বন্দ্ব:
বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বজুড়ে প্রচার চালানো হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান গোলযোগের মূল কারণ শিয়া-সুন্নি দ্বন্দ্ব। অথচ এটা ডাহা মিথ্যা কথা। এর বড় প্রমাণ হচ্ছে, সৌদিপন্থী উগ্র ওহাবি-সালাফি চিন্তাধারার অনুসারী আইএস জঙ্গিরা ইরাকে বিভিন্ন জায়গা দখল করার পর ব্যাপক হত্যালিলা শুরু করে এবং এ পর্যন্ত তারা ইরাকের বিভিন্ন মসজিদের ৪৫০ এর বেশি সুন্নি ইমামকে হত্যা করেছে। আর শিয়াদেরকে তো পাইকারীভাবে হত্যা করেছে। এ অবস্থায় ইরাকের শিয়া-সুন্নি মুসলমানরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে। সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ আলাভি শিয়া সম্প্রদায়ের হলেও সেদেশের সুন্নি মুসলমানরা বাশার আল আসাদকে সহযোগিতা করছে। লেবাননেও শিয়া হিজবুল্লাহ’র সঙ্গে সুন্নিরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে জঙ্গিবাদীদের মোকাবেলা করছে। ইয়েমেনের ৫০ শতাংশের বেশি হচ্ছে সুন্নি মুসলমান। কিন্তু ইয়েমেনে সৌদি হামলা শুরুর পর শিয়াপন্থী আনসারুল্লাহ’র সঙ্গে সুন্নি মুসলমানরাও ঐক্যবদ্ধ হয়ে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে আঞ্চলিক পরিমণ্ডলে সৌদি আরবের হামলাকে শিয়াদের বিরুদ্ধে সুন্নিদের হামলা হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে বিশ্ব মিডিয়ায়। অথচ সৌদি আরব কখনই সুন্নি রাষ্ট্র নয় বরং এটি একটি ওহাবি রাষ্ট্র যারা কিনা শিয়া-সুন্নি উভয়ের বিরোধী। এ অবস্থায় মধ্যপ্রাচ্যের  দ্বন্দ্ব-সংঘাতকে কোনোভাবেই শিয়া-সুন্নি সংঘাত বলা যায় না বরং এটি হচ্ছে সমগ্র মুসলমানদের বিরুদ্ধে সৌদিপন্থী ওহাবিদের যুদ্ধ যাদের পেছনে রয়েছে ইসরাইল ও আমেরিকার গোপন সমর্থন। চলমান সংঘাত মূলত সমগ্র মুসলমানদের বিরুদ্ধে ওহাবিদের যুদ্ধ। 

প্রকৃত সত্য গোপন করে শিয়া-সুন্নি বড় করে দেখানোর পেছনে তিনটি প্রধান কারণ:
প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, উগ্রপন্থা ও জঙ্গিবাদের বিস্তার ঘটিয়ে এবং সেটাকে শিয়া-সুন্নি গণ্ডগোল বলে প্রচার চালিয়ে এ অঞ্চলে তিনটি প্রধান লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা করছে সৌদি আরব, আমেরিকা ও ইসরাইল।

প্রথম উদ্দেশ্য হচ্ছে এ অঞ্চলে দখলদার ইসরাইলের অবস্থানকে শক্তিশালী করা। আর এ জন্য শিয়া-সুন্নির ধোয়া তুলে মুসলমানদের মধ্যে যুদ্ধ লাগিয়ে দেয়ার চেষ্টা চলছে যাতে করে মুসলমানরা যুদ্ধবিগ্রহে লিপ্ত থাকে ও দুর্বল হয়ে পড়ে। আর সেই সুযোগে নীল নদ থেকে ফোরাত পর্যন্ত জুড়ে বিশাল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার অলীক স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারবে বলে ইসরাইল ও তার মিত্ররা আশা করছে।

শিয়া-সুন্নি দ্বন্দ্বের মিথ্যা নাটক সাজানোর দ্বিতীয় উদ্দেশ্য হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের তেল সম্পদের ওপর আমেরিকার নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা। আর এ কাজে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করছে সৌদি আরব। 

শিয়া-সুন্নি দ্বন্দ্বকে বড় করে প্রচার করার তৃতীয় উদ্দেশ্য হচ্ছ, সৌদি আরবের চারদিকে ইসরাইল ও আমেরিকা বিরোধী বিশাল বলয় গড়ে উঠেছে। লেবাননের হিজবুল্লাহ, সিরিয়া, ইরাক, ইরান ও সর্বশেষ ইয়েমেনে আনসারুল্লাহ ক্ষমতা গ্রহণ করায়  মধ্যপ্রাচ্যে সৌদি আরব ও ইসরাইল কার্যত ঘেরাও হয়ে পড়েছে। এ পরিস্থিতিকে ইসরাইল ও সৌদি আরব তাদের অস্তিত্বের জন্য হুমকি বলে মনে করছে যার চূড়ান্ত পরিণতি হবে মার্কিন স্বার্থে চরম আঘাত। কারণ এ অঞ্চলের উপর দিয়েই শিল্পোন্নত পাশ্চাত্য বিশ্বের জন্য তেল সরবরাহ করা হয় এবং চলাচল করে বাণিজ্যিক জাহাজ।

এই তিন বিপদ থেকে উদ্ধার পাওয়ার জন্য উগ্র ওহাবিদেরকে মাঠে নামানো হয়েছে আর বিশ্বজুড়ে প্রচার চালানো হচ্ছে শিয়া-সুন্নি দ্বন্দ্বের মিথ্যা ফুলঝুরি। অথচ মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ চলছে মুসলমান বনাম ওহাবিদের মধ্যে যার নেপথ্যে রয়েছে ইসরাইল ও মার্কিন নেতৃত্বে সাম্রাজ্যবাদী শক্তিশালীগুলো।


এখানে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার স্বত্ত্ব ও দায় লেখক কর্তৃক সংরক্ষিত। আমাদের সম্পাদনা পরিষদ প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে এখানে যেন নির্ভুল, মৌলিক এবং গ্রহণযোগ্য বিষয়াদি প্রকাশিত হয়। তারপরও সার্বিক চর্চার উন্নয়নে আপনাদের সহযোগীতা একান্ত কাম্য। যদি কোনো নকল লেখা দেখে থাকেন অথবা কোনো বিষয় আপনার কাছে অগ্রহণযোগ্য মনে হয়ে থাকে, অনুগ্রহ করে আমাদের কাছে বিস্তারিত লিখুন।

Middle-East, Muslim, Islam, Crisis, Shia, Sunni, War, Conflict, Western