সংস্করণ: ২.০১

স্বত্ত্ব ২০১৪ - ২০১৭ কালার টকিঙ লিমিটেড

Mujib-1426559131.jpg

১৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিবস ও জাতীয় শিশু দিবস

জাতীয় ই তথ্যকোষ এ ২০১৩ সালে প্রকাশিত নিবন্ধ থেকে জানা যায়, বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার প্রায় ৬ কোটি ১৭ লাখ ৫০ জন হচ্ছে শিশু।

আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যত। তারাই আগামীতে এদেশের নেতৃত্ব দিবে। তারাই তুলে নিবে পৃথিবীর ভার। একটি শিশুকে আদর্শ নাগরিক ও জাতির কর্ণধার হিসেবে গড়ে তুলতে বড়দের রয়েছে নানাবিধ দায়-দায়িত্ব। আমাদের ভুলে গেলে চলবে না শিশুদেরও অপমানবোধ ও সন্মানবোধ আছে। আমাদের উচিৎ হবে শিশুদের ভালবেসে আদর স্নেহ করা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিশুদের প্রতি ছিলেন খুবই সহানুভূতিশীল। তাই তাঁর জন্মদিনে জাতীয় শিশু দিবস পালিত হয়। ১৯৯৬ সাল থেকে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। এদিন সরকারি ছুটি।

আমাদের দেশে শিশুদের সন্মানে ৩ চৈত্র তথা ১৭ মার্চ শিশু দিবস পালিত হলেও বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন সময়ে শিশু দিবস পালিত হয়। ১৯২০ সালের ২৩ এপ্রিল প্রথম শিশু দিবস পালিত হয়েছিল তুরস্কে। বর্তমানে ২০ নভেম্বর বিশ্ব শিশু দিবস পালিত হয়। আর আন্তর্জাতিক শিশু দিবস উৎযাপিত হয় ১ জুন।

শিশুদের কি শুধু একদিনই স্মরণ করা হবে? না তা ঠিক নয়। বছরের প্রায় প্রতিটা দিনই কোথাও না কোথাও শিশুদের নিয়ে দিবস উদযাপিত হচ্ছে। শিশুদের নিয়ে রয়েছে ‘শিশু অধিকার সপ্তাহ’, ‘বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস’, ‘কন্যা শিশু দিবস’ ইত্যাদি। জাতীয় ই তথ্যকোষ এ ২০১৩ সালে প্রকাশিত নিবন্ধ থেকে জানা যায়, বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার প্রায় ৬ কোটি ১৭ লাখ ৫০ জন হচ্ছে শিশু। এদের মধ্যে মেয়ে শিশুর সংখ্যা ২ কোটি ৩৯ লাখ।

আজ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৬তম জন্মদিবস এবং ২০তম জাতীয় শিশু দিবস উদযাপিত হচ্ছে। দিবসটি উপলক্ষে জাতীয়ভাবে ও জেলা উপজেলায় নানাবিধ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর মাজারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবেন।

বাংলাদেশ শিশু একাডেমি, বাংলা একাডেমী, বাংলাদেশ শিল্প একাডেমি, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ লোক ও কারু শিল্প ফাউন্ডেশন, আর্কাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদপ্তর, নজরুল ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন সহ আরো অনেক সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সংগঠন ও সংস্থা নানাভাবে দিবসটি উদযাপনের উদ্যোগ নিয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর উপর ছবি প্রদর্শনী, সকল জাদুঘরে শিশুদের বিনামূল্যে প্রবেশের জন্য খোলা রাখা, আলোকচিত্র প্রদর্শনী, শিশুদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, সেমিনার, র‌্যালীসহ নানাবিধ কর্মসূচী আয়োজিত হবে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রাঙ্গণে ১৮-২৬ মার্চ পর্যন্ত চলবে বই মেলা।

তথ্যসূত্র: কয়েকটি জাতীয় দৈনিক, রেডিও তেহরান, ইনফোকোষ। 


এখানে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার স্বত্ত্ব ও দায় লেখক কর্তৃক সংরক্ষিত। আমাদের সম্পাদনা পরিষদ প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে এখানে যেন নির্ভুল, মৌলিক এবং গ্রহণযোগ্য বিষয়াদি প্রকাশিত হয়। তারপরও সার্বিক চর্চার উন্নয়নে আপনাদের সহযোগীতা একান্ত কাম্য। যদি কোনো নকল লেখা দেখে থাকেন অথবা কোনো বিষয় আপনার কাছে অগ্রহণযোগ্য মনে হয়ে থাকে, অনুগ্রহ করে আমাদের কাছে বিস্তারিত লিখুন।

বঙ্গবন্ধু, শেখ-মুজিবুর-রহমান, জাতীয়-শিশু-দিবস, শ্রদ্ধাঞ্জলি