সংস্করণ: ২.০১

স্বত্ত্ব ২০১৪ - ২০১৭ কালার টকিঙ লিমিটেড

natok-1424151693.jpg

একুশের চেতনা ও সাহিত্য-প্রয়াস একুশের চেতনায় রচিত নাটক ‘কবর’

যারা উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে মেনে নিতে অস্বীকার করবে, ধরে নেয়া হবে তারা পাকিস্তান রাষ্ট্রের সংহতি চায় না এবং তারা পাকিস্তানের বিরোধী; আর পাকিস্তানের বিরোধী কাউকে বরদাস্ত করা হবে না।

একুশে ফেব্রুয়ারি ৫২-তে ছাত্ররা পাকিস্তানী তাবেদার প্রশাসন যন্ত্রের ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মিছিল বের করলে সরকারি নির্দেশে মিছিলে গুলি চালানো হয়েছিল; ‘কবর’ নাটকে সেকথা নেতার সংলাপে চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে :
জীবিত থাকতে তুমি দেশের আইন মানতে চাও নি! মরে গিয়ে তুমি এখন পরপারের কানুনকেও অবজ্ঞা করতে চাও। কম্যুনিজমের প্রেতাত্মা তোমাকে ভর করেছে, তাই মরে গিয়েও এখন তুমি কবরে যেতে চাও না। তোমার মত ছেলেরা দেশের মরণ ডেকে আনবে। [নেতা]
পাকিস্তানের দোসর নেতার বক্তব্যে ছাত্রের প্রতি অভিযোগ সম্পূর্ণ অন্যায়, অন্যায্য। কারণ, রাষ্ট্র জোরপূর্বক পূর্ব-পাকিস্তানের জনগণের মাতৃভাষায় কথা বলার অধিকার হরণ করতে চেয়েছিল।
১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর-পরই পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মি. জিন্নাহ ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে ঢাকা সফরে এসে পাকিস্তানের মাত্র সাড়ে সাত শতাংশ মানুষের মুখের ভাষা উর্দুকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদায় প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করলে, বাঙালি ছাত্রসমাজ ও সাধারণ জনগণ তাৎক্ষণিকভাবেই গভর্নর জেনারেলের অন্যায় প্রস্তাবের বিরোধিতা করে তা প্রত্যাখ্যান করে।
বাঙালি জনগণের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রীয় সমঝোতার স্বার্থে ৫৬% মানুষের মুখের ভাষা বাংলার হওয়ার পরও উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকেও রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেয়ার দাবি উত্থাপিত হয়।
কিন্তু মি. জিন্নাহ স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, যারা উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে মেনে নিতে অস্বীকার করবে, ধরে নেয়া হবে তারা পাকিস্তান রাষ্ট্রের সংহতি চায় না এবং তারা পাকিস্তানের বিরোধী; আর পাকিস্তানের বিরোধী কাউকে বরদাস্ত করা হবে না।
মি. জিন্নাহর এ বক্তব্যে বাঙালি জনগণ ভীষণভাবে নিরাশ হন; সদ্য স্বাধীনতা লাভ করেও বাঙালি জাতি অনুভব করতে থাকে পরাধীনতার শৃঙ্খল। ফলে ভাষার দাবিকে সামনে রেখে বাংলার নেতৃবৃন্দ বিশেষত ছাত্রসমাজ অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। দফায় দফায় ভাষার আন্দোলন তীব্রতর হতে থাকলে এক পর্যায় তা পাকিস্তান রাষ্ট্রের চূড়ান্ত মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
পরিণাতে ছাত্রসমাজের ভাষা-আন্দোলনকে চিরতরে নস্যাৎ করে দেয়ার হীন পরিকল্পনা নিয়ে ৫২-র একুশে ফেব্রুয়ারির পূর্বাহ্ণেই ১৪৪ ধারা জারি করা হয়, যাতে ছাত্ররা মিছিল-মিটিং করতে না পারে।
দুর্বিনীত যৌবনের সামনে মৃত্যুভয় তুচ্ছ। তাই ছাত্ররা ২১ ফেব্রুয়ারি একে একে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনে জড়ো হয়ে একক বৃহৎ মিছিলের পরিবর্তে খণ্ড খণ্ড মিছিল বের করে এবং পুলিশী বাধার সম্মুখিন হয়। এক পর্যায় পুলিশ গুলি চালালে নিহত হয়- রফিক, সালাম, বরকত, জব্বার ও নাম না জানা অনেকে।
মুনীর চৌধুরী নিজেও ভাষার দাবিতে বাঙালির আন্দোলনের সাথে ওতোপ্রতোভাবে যুক্ত ছিলেন। তিনি তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ শিক্ষক। ভাষা আন্দোলনের সাথে যুক্ত থাকার অভিযোগ তিনি গ্রেফতার হয়ে কারাগারে অন্তরীণ হন।
প্রতিভাবান শিক্ষক মুনীর চৌধুরী কারারক্ষীদের চোখ ফাঁকি দিয়ে ১৯৫৩ সালের ১৭ জানুয়ারি ‘কবর’ নাটক রচনা করেন। প্রথমবারের মতো ভাষা-শহীদ দিবস পালনের উদ্দেশ্যে ‘কবর’ কারাগারের অন্তরীণ রাজবন্দীদের দ্বারা অভিনয়ের জন্য। ভাষা আন্দোলন নিয়ে রচিত ‘কবর’ই প্রথম সাহিত্যিক প্রতিবাদী প্রয়াস।
'কবর’ মুনীর চৌধুরীর গতানুগতিক নাট্যধারার বাইরে অভিনব রচনা। বাঙালি জাতীয় চেতনার উদ্বোধন এ নাটকে জেলখানার অভ্যন্তরে অভিনয়ের যোগ্য প্রকরণ কৌশলে রচনা করেছিলেন মুনীর চৌধুরী।
স্পষ্টতই নাটকটির প্রেক্ষাপট বাঙালি জাতীয় চেতনার উদ্বোধনে যে ভাষার দাবি শুরু হয়েছিল, তা। ৫২-র একুশে ফেব্রুয়ারির পরের বছর [১৯৫৩] মুনীর চৌধুরী তখন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অন্তরীণ অবস্থায় রচনা করেছিলেন। ‘কবর’ রচনা প্রসঙ্গে রামেন্দু মজুমদার জানিয়েছেন :
১৯৫৩ সাল। আগের বছর একুশে ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী ঢকা কেন্দ্রীয় কারাগারে রাজবন্দী। সে সময় কারাগারে তাঁর সঙ্গে আরও ছিলেন মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, আবুল হাশিম, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, অলি আহাদ, মওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ, অধ্যাপক অজিত গুহ প্রমুখ। অপর একটি কক্ষে অন্যদের সঙ্গে ছিলেন প্রগতিশীল সাংবাদিক-সাহিত্যিক রণেশ দাশগুপ্ত। তিনি গোপনে একটি চিঠি পাঠালেন মুনীর চৌধুরীকে। অনুরোধ ছিল একুশের স্মরণে জেলখানার ভেতরে রাজবন্দীরা অভিনয় করতে পারে এমন একটি নাটক মুনীর চৌধুরীকে লিখে দিতে হবে। নাটক হবে রাত ১০টার পর জেলের বাতি নিভিয়ে দিয়ে হারিকেনের আলোয়।
রণেশ দাশগুপ্তের অনুরোধে একুশের প্রেক্ষাপটে ‘কবর’ রচনা করেছিলেন মুনীর চৌধুরী। ‘কবর’ মূলত রচিত হয়েছিল জেলখানার অভ্যন্তরে অভিনয়ের জন্য প্রথম ভাষা-শহীদ দিবস পালনার্থে। ‘কবর’ রচনার প্রসঙ্গে রামেন্দু মজুমদ জানিয়েছেন :
মুনীর চৌধুরী ভাবলেন সেট ও আলোর ব্যবস্থা থাকবে না; তাই সেই সীমাবদ্ধাতাকে কাজে লাগাতে হবে। তিনি নাটকের ঘটনাস্থল হিসেবে বেছে নিলেন গোরস্থানকে, যেখানে সেটের প্রয়োজন নেই। সময় শেষ রাত। [...] জেলখানায় নারী চরিত্রের অভিনেত্রী যাওয়া যাবে না বলে কবর নাটকে নাট্যকার কোনো নারী চরিত্র রাখেন নি। কেবল নাটকীয় মুহূর্তে ইন্সপেক্টর হাফিজ মাথায় চাদর টেনে নারীর অভিনয় করেন।
নাটকের সেট ও পরিবেশ সম্বন্ধে আগে থেকেই অবহিত থাকার কারণে, মুনীর চৌধুরী অত্যন্ত স্বল্প পরিসরে গুটিকয়েক চরিত্রের সহায়তায় বাঙালির ভাষার দাবির যৌক্তিকতা এবং প্রতিবাদ প্রকাশ করেছেন।
মেরুদন্ডহীন পুলিশ ইন্সপেক্টর হাফিজ পাকিস্তান প্রশাসনের অন্যায় [গুলি করে ছাত্র হত্যা এবং লাশ গুম করার ঘটনা] ধামা-চাপা দেয়ার কাজে নিয়োজিত। কিন্তু কবরস্থানের জীবন্ত বাসিন্দা মুর্দা-ফকির লাশের কথা জেনে গেছে ভেবে রাজনৈতিক নেতা ভয় পেলে ইন্সপেক্টর তাকে আশ্বস্ত করে বলে :
মুর্দা-ফকির ঝড়ও বোঝে না, আগুনও বোঝে না। ও ত একরকম কবরের বাসিন্দা। ভাষার দাবিতে মিছিল বেরিয়েছিল বলে পুলিশ গুলি করে কয়েকটাকে খতম করে দিয়েছেÑ এত কথা বোঝার মত জ্ঞান-বুদ্ধি ওর নেই। [হাফিজ]
পুলিশ ইন্সপেক্টর একথার মাধ্য দিয়ে নেতাকে আশ্বস্ত করতে চাইলেও নেতার মনের সংশয় দূর হয় নি। কারণ, কারফিউ শেষ হওয়ার পর যদি মুর্দা-ফকির এই লাশের খবর ছাত্রদের দেয়, তাহলে আবারো গোলমাল বেধে যাবে, ছাত্রসমাজ আবারো মিছিল বের করবে।
মুনীর চৌধুরী ‘কবর’ নাটকের সংক্ষিপ্ত পরিসরে ব্যবহার করেছেন রূপক। তিনি সচেতনভাবেই নাট্যঘটনায় রূপক আরোপ করেছিলেন। নাট্যঘটনায় দেখা যায়, কবর থেকে ছাত্রদের লাশ উঠে এসে বাঁচার কথা বলেছে, দাবি তুলেছে।
অর্থাৎ ভাষার দাবিতে যারা নিহত হয়েছিল তারা কবরে না থাকার কথা বলেছে। এ ঘটনা সম্পূর্ণ রূপক; এ রূপকের মধ্য দিয়ে নাট্যকার একইসাথে দুটো ব্যাপার হাজির করতে চেয়েছেন :
এক. যে ছাত্রদেরকে ভাষার দাবিতে মিছিল করার অপরাধে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল, তাদের কারোই স্বাভাবিক মৃত্যু বয়স হয় নি; অপঘাতে মৃত্যু না হলে স্বাভাবিক নিয়মে তাদের বেঁচে থাকার কথা।
দুই. ভাষার দাবিতে যারা ৫২-র একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ হয়েছিল, তারা দৈহিকভাবে কবরে গেলেও চির অমর হয়ে মানুষের অন্তরলোকে থেকে যাবে; অথবা বলা যায় বেঁচে থাকবে।
নাট্যকার মুনীর চৌধুরীর এই দূরদর্শী ভাবনা যে কতখানি সঠিক ছিল, তা আজকের দিনে বুঝতে অসুবিধা হয় না। কারণ, ৫২-র ভাষা আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছিলেন, তাঁদের পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে দেশব্যাপী শহীদ মিনার তৈরি করা হয়েছে এবং তাঁদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেই বিশ্বব্যাপী একুশে ফেব্রুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা’ দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
দৈহিকভাবে হয়তো ৫২-র একুশে ফেব্রুয়ারিতে যারা পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছিল তাদেরকে কবরস্থ করা গেছে; কিন্তু তাদের এই মহান আত্মত্যাগের কোনোদিন মৃত্যু ঘটবে না, তাদের চেতানাকে কবরস্থ করা যায় নি।
বরং তা বাংলার ভৌগোলিক সীমা অতিক্রম করে এখন সমগ্র পৃথিবীর মানুষের নিকট পরিচিত লাভ করেছে। অর্থাৎ ভাষার দাবিতে মৃত্যুবরণ করেও রফিক, সালাম, বরকত, জব্বার প্রমুখ ভাষা-শহীদ চির অমরত্ব লাভ করেছে। মুনীর চৌধুরী নাটকে মুর্দা-ফকিরের সংলাপে ভাষা-শহীদগণের সেই অমরত্বের ইঙ্গিত দিয়ে বলেছে :
এ লাশের গন্ধ অন্যরকম। ওষুধের, গ্যাসের, বারুদের গন্ধ। এ-মুর্দা কবরে থাকবে না। বিশ-পঁচিশ-ত্রিশ হাত যত নীচেই মাটি চাপা দাওনা কেন- এ মুর্দা থাকবে না। কবর ভেঙে বেরিয়ে চলে আসবে। উঠে আসবে। [মুর্দা-ফকির]
কথাবাহুল্য, মুনীর চৌধুরীর এ ধারণা যে কতখানি সত্য, তা আজ বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে একুশে ফেব্রুয়ারি পালনের মধ্য দিয়েই প্রতীয়মান। মানুষ অমর নয় জগতে, নশ্বর প্রাণী এবং তার মৃত্যু অনিবার্য।
যে মানুষের মৃত্যু বৃহৎ অথবা মানব-কল্যাণে কোনো মহৎ চেতনা প্রতিষ্ঠার জন্য হয়, সেই মৃত্যু পরিণামে যে চির-অমরত্ব লাভ করে, তা ভাষা-শহীদগণের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে প্রতিফলিত হয়েছে।
‘কবর’ নাটকের মূল্যায়ন করতে গিয়ে নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন : ‘বাংলাদেশের প্রথম প্রতিবাদী রাজনৈতিক নাটক কবর। কবর-এর হাত ধরেই পরবর্তীকালে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর রচিত ও প্রযোজিত হয়েছে অনেক প্রতিবাদী নাটক।’ এই বিবেচনায় বাংলাদেশের নাট্যধারায় ‘কবর’ নাটকের মর্যাদা অনেকটা পথিকৃতের ভূমিকা পালন করেছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
'কবর’ একাঙ্ক বিশিষ্ট নাটক। চরিত্র বেশি নেই নাটকে। নেতা, পুলিশ ইন্সপেক্টর হাফিজ, মুর্দা-ফকির, কবরস্থানের একজন গার্ড ও কয়েকটি ছায়া-চরিত্র।
অল্প এ কয়েকটি চরিত্রের মাধ্যমে মুনীর চৌধুরী ভাষা আন্দোলনের পূর্বাপর প্রেক্ষাপট এবং তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠীর অত্যাচারী মানসিকতার পরিচয় তুলে ধরেছেন অত্যন্ত সফলভাবে। নাটকে নেতা হচ্ছে- শাসকশ্রেণীর অত্যাচারী ও নিষ্ঠুরতার প্রতীক; মুর্দা-ফকির সেই শাসক শ্রেণীর বিরুদ্ধে বাঙালি জাতিসত্তার জাগ্রত বিবেক।
ইন্সপেক্টর হাফিজ শাসক শ্রেণীর তোষামুদে মেরুদ-হীন মধ্যবিত্ত চাকুরে শ্রেণীর প্রতিনিধি। ছায়া-চরিত্রগুলো তারুণ্যের প্রতিনিধিত্ব করেছে, যারা মৃত্যুবরণ করার পরও বেঁচে থাকার আকাক্সক্ষা প্রকাশের মধ্য দিয়ে ইতিহাসের পাতায় অমরত্বের ঘোষণা করেছে।
সামগ্রিকভাবে ‘কবর’ ভাষা আন্দোলন নিয়ে রচিত একটি সফল নাটক, যা বাঙালি জাতির বিবেকের প্রতিনিধিত্ব করেছে সমকালে।
আজো নাটকটির প্রাসঙ্গিকতা হচ্ছে এখানে ভাষার প্রতি মানুষের যে মমত্ববোধ ও সংগ্রামী চেতনার প্রকাশ ঘটেছে, তা কোনো কালেই ম্লান হবে না। ভাষা-সংগ্রামীদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে আজকের মানুষ তার মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার চেতনায় উজ্জীবিত হয়।


এখানে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার স্বত্ত্ব ও দায় লেখক কর্তৃক সংরক্ষিত। আমাদের সম্পাদনা পরিষদ প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে এখানে যেন নির্ভুল, মৌলিক এবং গ্রহণযোগ্য বিষয়াদি প্রকাশিত হয়। তারপরও সার্বিক চর্চার উন্নয়নে আপনাদের সহযোগীতা একান্ত কাম্য। যদি কোনো নকল লেখা দেখে থাকেন অথবা কোনো বিষয় আপনার কাছে অগ্রহণযোগ্য মনে হয়ে থাকে, অনুগ্রহ করে আমাদের কাছে বিস্তারিত লিখুন।

কবর, নাটক, ভাষা-আন্দোলন, পুলিশ, মুর্দা-ফকির